কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ) ।

তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৩ দিনের মাথায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই কিংবদন্তি অভিনেত্রী । তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ) ।


(more…)

কুমিল্লার এমপি সিনিয়র এডভোকেট জনাব আব্দুল মতিন খসরু ইন্তেকাল করেছেন।


“আপনাদের শঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। সরকার সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানার পর আমি দরিদ্র-নিম্নবিত্ত মানুষদের সহায়তার জন্য কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছি। আমরা ইতোমধ্যে পল্লী অঞ্চলে কর্মসৃজনের জন্য ৮০৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং পবিত্র রমজান ও আসছে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬৭২ কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। এর দ্বারা দেশের প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ৪২ হাজার নিম্নবিত্ত পরিবার উপকৃত হবেন। গত বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে ভিজিএফ, টেস্ট রিলিফসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।”

“তবে আমাদের সবাইকে সাবধান হতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আমাদের নিজের, পরিবারের সদস্যদের এবং প্রতিবেশির সুরক্ষা প্রদানের। কাজেই ভিড় এড়িয়ে চলুন। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করুন। ঘরে ফিরে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে গরম পানির ভাপ নিন। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে ১৮-দফা নির্দেশনা জারি করেছে। আমরা যদি সকলে করোনাভাইরাস মোকাবিলার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, অবশ্যই এই মহামারিকে আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।”

“প্রিয় দেশবাসী,
যুগে যুগে মহামারি আসে, আসে নানা ঝড়-ঝঞ্ঝা, দুর্যোগ-দুর্বিপাক। এসব মোকাবিলা করেই মানবজাতিকে টিকে থাকতে হয়। জীবনের চলার পথ মসৃণ নয়। তবে পথ যত কঠিনই হোক, আমাদের তা জয় করে এগিয়ে যেতে হবে।

আপনাদের শঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। সরকার সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ছুটিতে আসা এবং নতুন ভিসা প্রাপ্ত প্রবাসী কর্মীদের কর্মস্থলে সময় মত গমনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রাখার জন্য আটাব এর সংবাদ সম্মেলন, ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি ভবন (সাগর-রুনি হল), সেগুনবাগিচা, ঢাকা । ১৩ এপ্রিল ২০২১ইং ।

 

আটাব- এর পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি ।

আপনারা অবগত আছেন যে, আটাব দেশের প্রায় ৩৫০০ সরকার নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সির একটি অলাভজনক সংগঠন। আটাব ৪২ বছর ধরে তার সদস্যদের কল্যানে নিবেদিত। বিদেশগামী যাত্রীদের এয়ার টিকেট ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা সহ দেশী-বিদেশী এয়ারলাইন্সগুলোর সাথে আটাব নিবিড় ভাবে কাজ করছে এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সহযোগী সংস্থা হিসেবে গুরুত্বপূ্র্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর কাজ হচ্ছে সকল Airlines-এর মাধ্যমে বিদেশ ভ্রমনেচ্ছুক যাত্রী এবং প্রবাসী কর্মীদের Airlines সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ, এয়ার টিকেট ইস্যু করা, ভ্রমন ভিসা আবেদন সহ সংশ্লিষ্ট কাজে সহায়তা করা। তাছাড়া হজ্জ্ব লাইসেন্স প্রাপ্ত ট্রাভেল এজেন্সিগুলো হজ্জ্ব ও ওমরাহ সম্পাদনে যাবতীয় সহযোগিতা করে থাকে। Aviation সংশ্লিষ্ট সমস্ত কাজেই ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সংশ্লিষ্টতা থাকে বিধায় এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিতে কোন সমস্যার সৃষ্টি হলে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো সে সমস্যা সমাধানে জনকল্যানে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করে। কারণ ট্রাভেল এজেন্সি ও এয়ারলাইন্সগুলো এক সাথে কাজ করে থাকে।

জাতির বৃহত্তর স্বার্থে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ছুটিতে আসা প্রবাসী কর্মী ও নতুন ভিসা প্রাপ্তদের যাতায়াত সচল রাখার নিমিত্ত লকডাউনের মাঝে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটসমূহ চলাচল রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আপনাদের মাধ্যেমে সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

দেশব্যপী করোনা ভাইরাসের বর্তমান অস্বাভাবিক প্রাদুর্ভাবের করনে আগামী ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল, ২০২১ তারিখ পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। করোনামহামারী নিয়ন্ত্রনে সরকারের পদক্ষেপের সাথে সহযোগিতা করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা আামাদের সকলেরই দায়িত্ব। লডাউনের সময়ে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পথে সকল ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মূল্যবান বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনকারী অনেক প্রবাসি ছুটি নিয়ে বা জরুরী প্রয়োজনে বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন এবং তাদের অনেকের ভিসার মেয়াদ উর্ত্তীণ হতে চলেছে । তারা এয়ারলাইন্সের টিকেট সংগ্রহ করে কর্মস্থলে গমণের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছেন । তাছাড়াও অনেক নতুন কর্মী ভিসা প্রাপ্ত হয়ে কর্মস্থলে গমণের অপেক্ষায় রয়েছেন । নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে যোগদান না করতে পারলে নিয়োগ কর্তা তাদের অনেকেরই ভিসা বাতিল করবেন ।

প্রবাসীদের ছুটি শেষে নিজ কাজে সুষ্ঠ ভাবে ফিরে যাওয়া বা নতুন ভিসা নিয়ে কর্মে যোগদান করতে তাদের যাতায়াত চলমান রাখা অতীব প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি । অন্যথায় তাদের চাকুরী হারানোর শঙ্কা রয়েছে । একজন প্রবাসীর আয়ের উপর তার পুরো পরিবার নির্ভরশীল । সঠিক সময়ে নিজ কর্মস্থলে গমন করতে না পারার কারনে তাদের কর্মচ্যুতি হলে তাদের পরিবার পথে বসার উপক্রম হবে ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন সাধন করেছেন এবং করে চলেছেন । প্রবাসী বাংলাদেশী তথা প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বহুমুখী কল্যানমূলক কর্মসূচী নিয়েছেন । তাছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আরও বেশি বেশি কর্মী প্রেরণের জন্য অনেক উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। ছুটিতে আসা প্রবাসী কর্মী এবং নতুন ভিসা প্রাপ্ত কর্মীদের সময় মত কর্মস্থলে পৌঁছানোর বিষয়টিও বর্তমান সরকার মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করবেন বলে আমরা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি । লকডাউনের সময় যাদের ফ্লাইট নির্ধারিত ছিল বা যাদের ভিসা মেয়াদোত্তীর্নের পথে তারা সময়মত কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে ব্যক্তি, পরিবার এবং রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্থ হবে ।

এছাড়া প্রবাসী কর্মীগণ যে সকল দেশে গমন করবেন বিশেষত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ অনেক দেশ অদ্যাবধি বাংলাদেশী যাত্রী প্রবেশে কোন প্রকার বিধি-নিষেধ আরোপ করেনি । তাই প্রবাসী কর্মী যাত্রীদের নিজ গন্তব্যে গমনের জন্য লকডাউনের মাঝে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটসমূহ সচল রাখতে আপনাদের মাধ্যমে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ ও বিশেষ হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।

ধন্যবাদান্তে মনছুর আহামেদ কালাম, সভাপতি আটাব ।

মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ছুটিতে আসা এবং নতুন ভিসা প্রাপ্ত প্রবাসী কর্মীদের কর্মস্থলে সময় মত গমনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রাখার জন্য আটাব এর সংবাদ সম্মেলন।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল চালু রাখা হোক — আটাব এর সাবেক মহাসচিব আব্দুস সালাম আরেফ ।
২০২০ সালে করোনা যখন ইতালি, ফ্রান্সসহ ইউরোপে চরম অবস্থা বিরাজ করছিলো তখন বাংলাদেশে ইউরোপ থেকে ফ্লাইট যথারীতি চালু রেখেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কতৃপক্ষ ( বেবিচক) । আবার নতুন করোনা যখন ইংল্যান্ডে দেখা দিলো তখনও বিমানের লন্ডন ফ্লাইট ও অন্যান্য ফ্লাইটে লন্ডনের যাত্রী দেশে আশা যাওয়া করেছে বেবিচকের অনুমতি নিয়েই।
যার ফলে দেশে করোনার বিস্তার ঘটেছে ব্যাপকভাবে। করোনা নিয়ন্ত্রনে প্রয়োজনীয় সময়ে বেবিচক কি যথাযথ ভুমিকা রাখতে পেরেছে?
লকডাউনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ খাত হচ্ছে এভিয়েশন ও টুরিজম খাত। বর্তমানে ধুকে ধুকে চলা এইখাত বেচে থাকার কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ । এরই মধ্যে ১৪ই এপ্রিল থেকে আবার ১ সপ্তাহের জন্য ফ্লাইট বন্ধের ঘোষনা দেয়া হয়েছে।  এই নিষেধাজ্ঞা ২/৩ সপ্তাহ বা তার বেশী সময় ও চলতে পারে।
বর্তমান সময়ে সকল যাত্রীর যাওয়া আশা বা ভ্রমনের ক্ষেত্রে করোনা টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলক। সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের মাধ্যমে বেবিচক কি প্রত্যাশা করছে সেটা বোধগম্য নয়। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ দেশের সাথেই ফ্লাইট বন্ধ আছে। শুধুমাত্র মধ্য প্রাচ্যের সৌদি আরব, দুবাইসহ কয়েকটি রাষ্ট্রে শ্রমিকদের যাতায়াত চলমান আছে। বাংলাদেশের শ্রমিক গ্রহনে ঐ সকল দেশের কোন নিষেধাজ্ঞা নাই। এ সকল দেশে শ্রমিক যাত্রীরা যদি যেতে না পারে তাহলে অনেক শ্রমিকের ভিসা বাতিল হয়ে যাবে, অনেক পরিবার পথে বসবে।
ভিসা সংগ্রহকারী ম্যানপাওয়ার রিক্রুটিং এজেন্সি ও টিকেট প্রদানকারী ট্রাভেল এজেন্ট, এয়ারলাইন্স, সর্বপরি দেশ, সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। লকডাউনে বিদেশগামী যাত্রীরা কি খুব বেশী সমস্যা করবে নাকি বিদেশগামী এই সব শ্রমিক ভাইয়েরা যেতে না পারলে সমস্যা বা ক্ষতি বেশী হবে ?  আমি মনে করি এই বিষয়টি লকডাউনে আওতার বাহিরে রাখা দরকার। তাই বেবিচক, সিভিল এভিয়েশন মিনিস্ট্রি, সর্বপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনঃ বিবেচনার আহবান জানাচ্ছি।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল চালু রাখা হোক — আটাব এর সাবেক মহাসচিব আব্দুস সালাম আরেফ ।


করোনা কালীন লকডাউনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট গুলো চালু রেখে বিদেশগামী ও বিদেশ ফেরত যাত্রীদের জন্য এয়ারপোর্টে যাতায়াতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থাপনা জরুরী : আটাব ও হাব এর সাবেক মহাসচিব আলহাজ্ব জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দিপু ।

পত্রিকা ও টিভি রিপোর্ট অনুসারে, লকডাউনে বিমানবন্দরে যাতায়াতে দিক বিবেচনায় নিয়ে ১৪ এপ্রিল হতে কঠোর লকডাউনে আওতায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সমুহ বাতিল করার পরিকল্পনা করেছেন সরকার । উক্ত পরিকল্পনা বাস্থবায়ন কতটুকু সমীচিন হবে ,তা একটু বিবেচনা করা প্রয়োজন ! পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে বাংলাদেশ হতে বিদেশগামী ও দেশমূখী যাত্রীদের জন্য এক বিরাট সংকট সৃস্টি হবে ।

প্রথমত : মধ্যপ্রাচ্য, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে নতুন চাকুরীপ্রাপ্ত ও ছুটিতে আসা চাকুরীরত অনেকে যথাসময়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে পারবেন না, ফলে নতুনদের যাত্রা অনিশ্চিত ও পুরনোদের চাকুরী হারাবার সমুহ সম্ভাবনা সৃস্টি হবে । এমনকি অনেকের ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে যেতে পারে।

লকডাউনে আপাতত ৭ দিনের ফ্লাইট বাতিল হলেও লকডাউন পরবর্তীতে ফ্লাইট চালু হওয়ার পর যাত্রীদের যে চাপ সৃস্টি হবে সেক্ষেত্রে যাত্রীর ভ্রমনের দিন ও ক্ষণ নির্ধারনে এক মারাত্মক অনিশ্চিত পরিস্থিতির উদ্ভব হবে। পাশাপাশি এয়ারলাইন্স ও ট্র্যাভেল এজেন্টরাও বিশাল চাপের মূখোমূখী হবেন ।

যারা রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসাবে খ্যাত ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট অবদান রেখে চলেছেন, লকডাউনে আন্তর্জাতিক ফাইট বাতিল করা কখনো তাদের ব্যক্তিজীবন ও দেশের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না ।
এই সব যাত্রীর বাইরে আরো বিরাট অংশের পশ্চিমাবিশ্বগামী যাত্রী আছেন যেমন ছাত্র, গ্রিনকার্ড বা ওয়ার্ক পারমিটধারী ইত্যাদি, যাদের ক্ষেত্রে যথাসময়ে তাদের গন্তব্যে পৌছার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে ।

উল্লেখ্য, ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া লকডাউন শুধু বাংলাদেশের আভ্যন্তরিন সিদ্ধান্ত, যার সাথে অন্যান্য দেশের কোন সম্পর্ক নাই। আমাদের দেশের মানুষদের কর্মক্ষেত্রের সেই সকল দেশ আমাদের দেশের সমস্যাকে যে বিশেষ গুরুত্ব দিবে তার কি কোন ন্যূনতম নিশ্চয়তা আছে !

বর্তমান পরিস্থিতিতে লকডাউন প্রয়োজন । তারপরও আমাদের প্রবাসীদের অবদান, তাঁদের ব্যক্তি ও দেশের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটসমূহ বাতিল না করে লকডাউনে বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদেরকে এয়ারপোর্টে গমনাগমনের জন্য বিকল্প ব্যবস্থাপনা সরকার ইচ্ছা করলেই করতে পারেন, যা অতি প্রয়োজনীয় ।তাই সরকার ও সিভিল এভিয়েশনকে বিষয়টি বিবেচনা করে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য অনুরোধ রইল।

করোনা কালীন লকডাউনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট গুলো চালু রেখে বিদেশগামী ও বিদেশ ফেরত যাত্রীদের জন্য এয়ারপোর্টে যাতায়াতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থাপনা জরুরী


বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তাঁকে দাফন করা হবে কেরানীগঞ্জের বড় মনোহারিয়ায় ।

তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। 

বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।


 

মিথ্যা বলা মু’মিনের কাজ নয়” যে যারা মিথ্যা বলে সে বা তারা ফাসেক।
—————-মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সোবহানাহু তা’য়ালার জন্য যিনি আলম সমূহের প্রতিপালক এবং দরুদ- সালাম নূরনবী হযরতের ওপর যিনি কুলকাইয়্যেনাতের রহমত মানবতার মুক্তির দূত ও পরপারের শাফায়াতের অধিকার প্রাপ্ত।আলোচ্য বিষয় “মিথ্যা বলা মু’মিনের কাজ নয়”মিথ্যা বলা কোনো ক্ষেত্রেই অনুমোদিত নয়। এছাড়াও মিথ্যা বলা অশোভনীয় ও অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ। মিথ্যা ভয়াবহ গুনাহ। মিথ্যা থেকে বেঁচে থাকতে ইসলাম দৃঢ়ভাবে মু’মিনদের সতর্ক করেছে। শরিয়তে সত্যকে সর্বত্রই উৎসাহিত করা হয়েছে। প্রকাশ আছে যে, সত্য মুক্তি দেয়, মিথ্যা ধ্বংস আনে। সামাজিক আচরণবিধি সম্পর্কিত মাসয়ালা পাওয়া যায় বিবদমান দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং নির্দোষ ব্যক্তির প্রাণ রক্ষার লক্ষ্যে কখনো অপ্রিয় সত্যটি গোপন করা বা অসত্যকে তুলে ধরার শরীয়তের বিধানে অনুমতি রয়েছে। কোনো বৈধ বিষয়কে প্রতিষ্ঠিত করতে বা অধিকার সুরক্ষার জন্য দ্ব্যর্থবোধক বা অস্পষ্ট কথা বলার অনুমতি শরিয়তে রয়েছে। তবে যে কোনো পরিস্থিতিতে সত্য বলাই শরিয়তের মুল দর্শনের দাবি ও তাকওয়াপূর্ণ।

চারিত্রিক স্খলনের কারণে অনেকে মিথ্যায় জড়িয়ে যায়। মনুষ্যত্ববোধ ও রুচিশীলতা লোপ পেলেও অনেকে মিথ্যার বেসাতি তৈরি করে থাকে। কিন্তু সুস্থ ও সঠিক মন-মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ ব্যক্তি কোনোক্রমেই মিথ্যা সমর্থন দিতে পারে না।

মিথ্যাবাদীর পরিণাম দুনিয়া ও আখেরাতে খুবই নিন্দনীয়। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে ও মৌলিক স্বার্থে ইসলামে মিথ্যা বলার অবকাশ রয়েছে। যেমন ১। যুদ্ধে কৌশলের গোপনীয়তায় মিথ্যা বলা বৈধ,২।দু’পক্ষের মাঝে সমঝোতা করার জন্য মিথ্যা বলা বৈধ,৩।স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা ও মিল তৈরির করার জন্যও মিথ্যা বলা বৈধ।

আল্লাহ তা’য়ালা ইরশাদ করেন, ‘মিথ্যা তো তারাই বানায়, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের ওপর ঈমান রাখে না। বস্তুত তারাই মিথ্যুক।(সুরা নাহাল, আয়াত: ১০৫)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুনাফেকদের নিদর্শন তিনটি : কথা বলার সময় মিথ্যা বলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা এবং আমানতের খেয়ানত করা। ’ (বুখারি, হাদিস নং : ৩৩, মুসলিম, হাদিস নং : ৫৯)

মুসলিম মনীষীরা বলেছেন, সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.) এর ওপর মিথ্যারোপ করা। এর শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ। কেউ কেউ এ জাতীয় মিথ্যুককে কাফের পর্যন্ত বলেছেন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘আর তোমাদের জিহ্বা দ্বারা বানানো মিথ্যার ওপর নির্ভর করে বলো না যে, এটা হালাল এবং এটা হারাম, আল্লাহর ওপর মিথ্যা রটানোর জন্য। নিশ্চয় যারা আল্লাহর নামে মিথ্যা রটায়, তারা সফল হবে না। ’ (সুরা নাহাল, আয়াত : ১১৬)

আলী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা আমার ওপর মিথ্যা বলবে না, যে আমার ওপর মিথ্যা বলবে, সে যেন জাহান্নামে প্রবেশ করে। ’ (বুখারি, হাদিস নং : ১০৬)

ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, ‘এর অর্থ হচ্ছে যে রাসূল সা. এর ওপর মিথ্যা বলবে সে যেন নিজ স্থায়ী ঠিকানা জাহান্নাম বানিয়ে নেয়। ’ (তারিকুল হিজরাতাইন : ১৬৯)

আল্লাহ তা’য়ালা ইরশাদ করেন, ‘হে মু’মিনরা! তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে সদা দণ্ডায়মান হও। কোনো কওমের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে কোনোভাবে প্ররোচিত না করে যে, তোমরা ইনসাফ করবে না। তোমরা ইনসাফ করো, তা তাকওয়ার নিকটতর। ’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৮)

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, ‘এ সব হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, যা যা শোনা যায় তার সব কিছু বলা নিষেধ। কারণ, প্রতিনিয়ত সত্য-মিথ্যা অনেক কিছুই শোনা যায়, অতএব যে ব্যক্তি সব কিছু বলে বেড়াবে—তার দ্বারা মিথ্যা প্রচারিত হওয়াই স্বাভাবিক, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক থাকবে না। আর এটাই হচ্ছে মিথ্যা, মিথ্যার জন্য ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো দখল নেই। হ্যাঁ, গোনাহগার হওয়ার ইচ্ছা শর্ত। আল্লাই ভাল জানেন। ’ (শরহু মুসলিম : ১/৭৫)

উম্মে কুলসুম (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.) কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি দুই জনের মাঝে সমঝোতা করার জন্য ভালো কথার আদান-প্রদানকালে মিথ্যা বলে—সে মিথ্যুক নয়। ’ (বুখারি, হাদিস নং : ২৫৪৬; মুসলিম, হাদিস নং : ২৬০৫)

আসমা বিনতে ইয়াজিদ বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিন জায়গা ব্যতীত মিথ্যা বলা বৈধ নয়। স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা, যুদ্ধে মিথ্যা বলা এবং দু’জনের মাঝে সমঝোতা করার জন্য মিথ্যা বলা বৈধ। (তিরমিজি, হাদিস নং : ১৯৩৯; সহিহ আল-জামে : ৭৭২৩)

উল্লেখ্য কওমী হেফাজতীনেতা মামুনুল হক কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে তার দ্বারায় সংগঠিত ঘটনার পেইজের লাইভে বক্তিতায় সার্বিক পরিস্থিতি ও অবস্থার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মিথ্যার বলার ব্যাপারে ইসলামের বিধিবিধানের যে অপব্যাখ্যা করলেন। উপরে উল্লেখিত দলিল মতে প্রমাণিত হয় যে, সে একজন প্রতারক ও ধোঁকাবাজ এবং চরম মিথ্যাবাদী। এ বক্তিতার পর ইসলাম নিয়ে কথা বলার তার কোন নৈতিক অধিকার নাই। যে শয়তানের অনুসারী হয়ে নফসের তারণায় অপকর্ম লিপ্ত হয় এবং অপকর্ম বৈধ করার অপচেষ্টায় ইসলামের অপব্যাখ্যা করে। সে নিঃসন্দেহে জালেম ও পথভ্রষ্ঠ। সুতরাং দেশপ্রেমিক জনতা এপ্রতারকের বিভ্রান্তিমূলক কথার দিকে কান না দিয়ে ইসলামের মৌলিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঈমান আকিদা সুরক্ষায় ব্রতী হবেন বলে প্রত্যাশা করি-ফি-আমানিল্লাহ।

মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী
প্রধান সমন্বয়ক,
বাংলাদেশ সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম।

“মিথ্যা বলা মু’মিনের কাজ নয়” যে যারা মিথ্যা বলে সে বা তারা ফাসেক। মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী


ঢাকা-১৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জননেতা আসলামুল হক (এম.পি) স্টোক করে ইন্তেকাল করেছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

ঢাকা-১৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জননেতা আসলামুল হক (এম.পি) স্টোক করে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ব্যক্তিগত সহকারি মোঃ শাহজাহান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ব্যক্তিগত সহকারি মোঃ শাহজাহান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )।

https://www.facebook.com/bm24tvofficialpage