প্রস্তুত ঢাকা নগর পরিবহন

গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলা দূর করতে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চালু হচ্ছে ঢাকা নগর পরিবহন। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে এর উদ্বোধন করা হবে। কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটারের রুটে বিআরটিসির বাসের পাশাপাশি সবুজ রঙের বাস নিয়ে ঢাকা নগর পরিবহন যাত্রা শুরু করছে। এরইমধ্যে বাসগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। ফুল দিয়ে সাজানোও হয়েছে। বাসগুলো যেখানে রাখা হয়েছে, তার পাশেই তৈরি করা হয়েছে বিশাল উদ্বোধনী মঞ্চ। জানা গেছে, ২১ কিলোমিটারের এ রুটে ঢাকা নগর পরিবহনের ৫০টি বাস নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রেশনালাইজেশন কার্যক্রম শুরু হবে। এ রুটে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া পড়বে দুই টাকা ২০ পয়সা। জানা গেছে, প্রথমে ৫০টি বাস নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও কিছু দিনের মধ্যে এ রুটে মোট ১০০টি বাস চলাচল করবে।

প্রস্তুত ঢাকা নগর পরিবহন

“ময়ূরপঙ্খী উদ্যোক্তা সামিট” অনুষ্ঠিত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তা ও ময়ূরপঙ্খী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো “ময়ূরপঙ্খী উদ্যোক্তা সামিট ও মেম্বার মিটআপ” অনুষ্ঠান । ময়ূরপঙ্খী ফাউন্ডেশন (গভঃ রেজিঃ নং: ঢ-০৯৫৮৭) ও ময়ূরপঙ্খী উদ্যোক্তা ফোরাম এর আয়োজনে ও ময়ূরপঙ্খী ইন্টারন্যাশনাল এর ইভেন্ট ব্যবস্থাপনায় ফরাজী হাসপাতাল প্রেজেন্টস “ময়ূরপঙ্খী উদ্যোক্তা সামিট ও মেম্বার মিটআপ” ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাজধানীর মিরপুরে অর্কিড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় । যুব ও নারী উদ্যোক্তা, রন্ধন শিল্পী, বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারীগণ এই সামিটে অংশগ্রহণ করেন । মূলত নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদানে এবং সফল উদ্যোক্তাদের বিশেষ সেশনের সমন্বয়ে আয়োজন করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানটি । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফরাজী হাসপাতাল ও ফরাজী ডেন্টাল ও রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান স্বাস্থ্যবন্ধু ডাঃ আনোয়ার ফরাজী ইমন । বিশেষ অতিথি হিসেবে নুহা এন্ড ব্রাদার্সের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, বিএম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরিজমের সিইও রবিউল ইসলাম রবি উপস্থিত ছিলেন । সভাপতিত্ব করেন ময়ূরপঙ্খীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রুহিত সুমন । সামিটে আগত উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে দশজনকে ময়ূরপঙ্খী পুরস্কার প্রদান করা হয় ।

সম্মাননা পেয়েছেন মোঃ মোজাম্মেল হক, সাইমন খান, মোহাম্মদ এস. আলম, রেহানা সিদ্দিকী লিজা, রবিউল ইসলাম রবি, শহিদুল ইসলাম, ডাঃ এম. ইয়াসিন আলী, আফরোজা নাজনীন, নিপা রাজ্জাক, মৌনতা আলম । উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং সেশনে ট্রেনার ছিলেন ওরিওন টি কোম্পানির হেড অফ মার্কেটিং মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ইফাদের ম্যানেজার-এক্সপোর্ট মৃত্যুঞ্জয় নাথ, ড্যানিসের ম্যানেজার-এক্সপোর্ট ফয়সাল আহমেদ । গেষ্ট স্পীকারদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় । এছাড়া জমকালো সাংস্কৃতিক আয়োজন ও কেক কাটা পর্ব আগত অতিথি ও দর্শকবৃন্দ উপভোগ করেন । আগত উদ্যোক্তা ও সদস্যদের মেডেল, সার্টিফিকেট ও গিফট হ্যাম্পার প্রদান করা হয় । আরো ছিল কুইজ ও পুরস্কার প্রদান, মেহেদী উৎসব, ম্যাজিক, সংগীত ও ডিজে পারফর্মেন্স । অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে রুহিত সুমন বলেন- আমাদের স্পন্সর ও পার্টনারদের সহযোগিায় অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে ।

“ময়ূরপঙ্খী উদ্যোক্তা সামিট” এ সহযোগিতাকারী সকল স্পন্সর, পার্টনার ও মেম্বারদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি । আশা করি ময়ূরপঙ্খীর সামনের ইভেন্টগুলোতেও সবার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে । বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই ফরাজী হাসপাতালের চেয়ারম্যান স্বাস্থ্যবন্ধু ডাঃ আনোয়ার ফরাজী ইমন ভাই, লিজান গ্রুপের চেয়ারম্যান তানিয়া হক আপু, ফরাজী হাসপাতালের হেড অব কর্পোরেট মোঃ মোজাম্মেল হক ভাইসহ সম্মানিত সকল অতিথি, উদ্যোক্তা, ট্রেইনার, সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের যাদের উপস্থিতি আমাদের এই অনুষ্ঠান কে আলোকিত করেছে । সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন- সাথী খান, মোঃ হৃদয় রহমান, নিশাত, মিকাইল হোসেন, সালাউদ্দিন স্বপন, ফারজানা ফেরদৌস, স্বপন ডিনার, ডিজে সুমি, সাব্বির চৌধুরী ।

“ময়ূরপঙ্খী উদ্যোক্তা সামিট” অনুষ্ঠিত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তা ও ময়ূরপঙ্খী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো “ময়ূরপঙ্খী উদ্যোক্তা সামিট ও মেম্বার মিটআপ” অনুষ্ঠান

বাংলাদেশে খেলতে এসে শুরুটা দুঃস্বপ্নের মতো হলো সফরকারী নিউজিল্যান্ডের। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ কিউই ব্যাটসম্যানরা। সাকিব-মেহেদীদের ঘূর্ণিতে শুরু থেকেই ম্যাচের নাটাই টিম টাইগার্সের হাতের মুঠোয় ছিল। ধুঁকতে ধুঁকতে শেষ পর্যন্ত কিউইদের ইনিংস থামে মাত্র ৬০ রানে।

এদিকে, ব্যাটিং বিপর্যয়ে নিজেদের সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড স্পর্শ করেছে কিউইরা। এর আগে ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও ৬০ রানে অলআউট হয়েছিল টম লাথামরা। এদিন বাংলাদেশের বোলাররা আবারো নিউজিল্যান্ডকে সেই লজ্জায় ডোবাল।

বাংলাদেশের বোলাররা ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা সহজই করে দিলো। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম জয়ের স্বাদ পেতে হলে করতে হবে ৬১ রান।

কিউইদের সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় ডোবাল টাইগাররা ইনিংস থামে মাত্র ৬০ রানে

‘তালেবান ও ইসলাম’ সমার্থক নয় : সৈয়দ আনোয়ার

 প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ বঙ্গবন্ধু চেয়ারের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ তালেবান জঙ্গিদের থাবা থেকে মুক্ত নয়। তালেবান ও ইসলাম সমার্থক নয়। জঙ্গিবাদ নিয়ে আমাদের শংকার কারন রয়েছে। আমি ভেবেছিলাম ১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের সুশীল সমাজ তালেবানদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠবেন। আলোচনা করবেন, লিখনী লিখবেন। কেউ কোথাও কিছু করেননি। শনিবার (২৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাব জহুর হোসেন হলে বাংলাদেশ সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ‘আফগানিস্তানে জঙ্গি উত্থান বিশ্বের অশুভ সংকেত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন । ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার দুইটা লক্ষ একটা ইসলামকে যথার্থ ভাবে অনুসরণ করি। আরেকটা জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করা। আমরা এখনই সচেতনতা হই, সর্তক হই। বাংলাদেশ মানুষের দেশ হিসে গড়ে তুলবো অসাম্প্রদায়িক। এখানে ধর্ম থাকবে, ধর্মান্ধতা থাকবে না। ধার্মিক থাকবে কিন্তু জঙ্গি থাকবে না। এই প্রতিজ্ঞা আজ আমাদের করতে হবে। আফগানদের ধর্মচর্চা নিয়েও কথা বলেন ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আফগানরা ইসলাম গ্রহণ করতে চায় নি। অনেক চেষ্টা তদবির করে ইরানী সুফি সাধকরা ক্রমাগত ভাবে আফগানে ইসলাম নিয়ে এসেছেন। আফগানরা যখন ইসলাম গ্রহণ করেছে, নিজেদের মত করে গ্রহণ করেছে। গোত্রভিত্তিক ইসলামি চেতনা লালন করেছে। আফগানরা গোত্র চেতনায় এক গোত্র আরেক গোত্রের সঙ্গে নামাজও পড়ে না, খায়ও না তবে যুদ্ধ করে এক সঙ্গে। তালেবানদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, তালেবানদের বিরুদ্ধে আফগান নারীরা পুরানো আমলের পতাকা নিয়ে বেরিয়ে এসেছে, এ ছবিও আমরা দেখেছি। একজন নারীর বোরকা ছিলো না, গুলি করে মেরেছে তালেবান। কোরআন-হাদিসের কোথায় নির্দেশ আছে, হিজাব-নিকাব, বোরকা পরতে হবে; শালীনতার বাহিরে। আমাদের জাতীয় কবি নজরুল বলেছ, ‘ইসলাম সেতো পরশ মণি, কে পেয়েছে খুঁজে’। আজকে পর্যন্ত কেউ খুঁজে পায় নি। ইসলামকে তালেবানরা খুঁজে পাবে না। আলোচনা সভায় সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে কোনো সম্প্রদায়কে বিভেদ সৃষ্টি করতে দেবো না। দেশের যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো কিছু থাকতে পারে না। জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের বিশেষ গোষ্ঠী বা বিশেষ ব্যক্তির প্রাধান্য যাতে সেখানে না পায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জঙ্গি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এসময় অন্যন্য বক্তারা বলেন, পাকিস্তান-চীন আজকে তালেবান-জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদীরা তালেবানদের মত অপশক্তিকে ব্যবহার করছে। জঙ্গি-তালেবানদের বিরুদ্ধে আমাদের আদর্শিক সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে সামজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তালেবানরা স্বাভাবিক মানুষ নয়। বক্তারা আরও বলেন, আফগানিস্তানে তালেবানদের উত্থাপন আমাদের জন্য অশুভ সংকেত। আমাদের দেশের উগ্র মৌলবাদীরা সুরসুরি পাচ্ছে। তালেবানরা ইসলামের নামে সন্ত্রাববাদ করছে এতে ইসলাম ধর্মের ক্ষতি হচ্ছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম এখনে জঙ্গিবাদের জায়গা নেই। ধর্মের নাম দিয়ে ইসলামের উপরে কালিমা লেপন করা হচ্ছে। জোরজবরদস্তির করার জায়গা নেই। তালেবান, জঙ্গিরা জোরজবরদস্তির করছে। তালেবানদের অত্যাচারে আফগান মুসলিমরা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। এটা কোনো ভাবেই ইসলামের বিজয় নয়। বাংলাদেশ সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্টি ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, বিশিষ্টি ইসলামি চিন্তা বিদ আল্লামা এটিএম ফরহাদ, মাওলানা মহিউদ্দিন খান ফারুকী, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাড. আব্দুল আজিজ, তসলিম উদ্দিন রানা, সন্তুষ দাস গুপ্ত, বাংলাদেশ সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্টি ফোরামের সমন্বয়ক শেখ জনি ইসলাম, সাংবাদিক গণবন্ধু রাহাত হুসাইন প্রমুখ।

‘তালেবান ও ইসলাম’ সমার্থক নয় : সৈয়দ আনোয়ার

পল্লবী থানায় করা টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে জামিন দিয়েছেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ মঙ্গলবার শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সেলিম মিয়া প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গত ২৯ জুলাই রাজধানীর গুলশান থেকে বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার হন হেলেনা জাহাঙ্গীর।

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে জামিন দিয়েছেন আদালত

সারা দেশে লকডাউনের বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায় চলবে বুধবার (১১ আগস্ট) থেকে বাস, ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন। খুলবে দোকানপাট ও রেস্টুরেন্ট। রোববার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে সড়কে নামতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে পরিবহন কোম্পানিগুলো। বিক্রি হচ্ছে অগ্রিম টিকিটও। এ ছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত দোকান ও রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ।

ঈদুল আজহার পর টানা ১৯ দিন কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ উঠছে বুধবার থেকে। রোববার (৮ আগস্ট) দেশব্যাপী লকডাউনের শিথিলতার বিষয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এরপর থেকেই পরিবহন খাতের দীর্ঘ স্থবিরতায় ফিরে প্রাণ-চাঞ্চল্যতা।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সোমবার (৯ আগস্ট) থেকেই চলছে নানা প্রস্তুতি। সকালে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলো ঘুরে দেখা গেছে, শ্রমিকরা বাস ধোয়ামোছার কাছে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে যন্ত্রপাতি। রং করে বাস চলাচলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। 

প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে সড়কে নামতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে পরিবহন কোম্পানিগুলো।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের সময়সীমা শেষ হওয়ার এক দিন আগেই আজ সোমবার রাজধানীর সড়কে প্রচুর যানবাহন নেমেছে। বাস ছাড়া প্রায় সব ধরনের যানবাহন সড়কে চলছে। যানবাহনের চাপে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে স্থাপিত পুলিশ তল্লাশিকেন্দ্রগুলো অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা গেছে যানজট।

চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয় ২৩ জুলাই সকালে। চলবে কাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত। বুধবার থেকে শর্ত সাপেক্ষে অফিস, গণপরিবহনসহ সবকিছু খুলে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে গতকাল রোববার আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আজ সকাল থেকেই রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চলাচল অন্য দিনের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি প্রচুরসংখ্যক মোটরসাইকেল, কাভার্ড ভ্যান, এমনকি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সড়কে নেমেছে। আর রিকশা তো আছে। যানবাহনের ব্যাপক চাপে আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানজট দেখা গেছে।

বিধিনিষেধের সময়সীমা শেষ হওয়ার এক দিন আগেই রাজধানীর সড়কে প্রচুর যানবাহন নেমেছে

চলছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। যেখানে ইতিহাস গড়েছে টাইগাররা। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় আগেই নিশ্চিত করেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

যদিও ৪র্থ ম্যাচে শনিবার (৭ আগস্ট) শেষ মুহূর্তে কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে অজিরা। সোমবার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের ৫ম ও শেষ ম্যাচ। সিরিজ জয় নিশ্চিত হওয়ায়, শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে আসতে পারে একাধিক পরিবর্তন।
টানা চার ম্যাচে ওপেনিংয়ে ব্যর্থ সৌম্য সরকার। তার পরিবর্তে অন্য খেলোয়াড়কে সুযোগ দেওয়ার কথাও উঠেছে। বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে আরও দু-একজনকে। তবে বিভিন্ন সূত্রের খবর শেষ ম্যাচে খেলবেন না সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছ থেকে ছুটি নিয়ে রোববার (৮ আগস্ট) রাতে যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের কাছে যাবেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। তবে নিউজল্যান্ড সিরিজের আগেই দেশে ফিরবেন সাকিব।
 
তবে অজিদের বিপক্ষে ৫ ম্যাচ সিরিজে ৪র্থ ম্যাচে মোটেও ভালো করেননি সাকিব। ৬, ৬, ৬, ০, ৬, ৬! সাকিবের বলে মিরপুরে ঝড় তুলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান। লং অন, ওয়াইড লং অন, মিডউইকেট, মিডউইকেট, লং অন- এ অঞ্চল দিয়ে পাঁচটি ছক্কা মেরেছেন ক্রিস্টিয়ান। এদিন সাকিব ওই পাঁচটি বাদেও আরও একটি ছয় মেরেছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এতে ৩ উইকেটে জয় পায় অজিরা। যদিও ইতোমধ্যে প্রথম ৩টি ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।  

শেষ ম্যাচ খেলবেন না সাকিব! কিন্তু কেন?

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের শেষের দিকে এসে রাজধানীতে যানবাহনের চলাচল অনেক বেড়ে গেছে। আজ রোববার গাড়ির চাপে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর ও পান্থপথ এলাকায় যানজট দেখা গেছে। বিধিনিষেধ কার্যকরে সড়কে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতাও আগের চেয়ে কম দেখা গেছে।

আজ সকালে কারওয়ান বাজার মোড়ে যানজট দেখা যায়। সেখান থেকে যানজট কখনো কখনো ফার্মগেট, পান্থপথ, বাংলামোটর ও হাতিরঝিল পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে।

এ ছাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ও বিজয় সরণি এলাকায়তেও যানজট দেখা গেছে। অন্যদিকে, শাহবাগ, মৎস্য ভবন ও পল্টন এলাকায় সড়কের মোড়কেন্দ্রিক কিছুটা চাপ দেখা যায়।

কারওয়ান বাজারে কর্তব্যরত তেজগাঁও জোনের ট্রাফিক পরিদর্শক আনোয়ারুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, আজ সপ্তাহের প্রথম দিন হওয়ায় যানবাহনের চাপ একটু বেশি। তবে তুলনামূলকভাবে কারওয়ান বাজারকেন্দ্রিক যানজট একটু বেশি। এর মূল কারণ হলো মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ। মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে গেছে। স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলতে পারছে না। এ জন্য কারওয়ান বাজারে সঙ্গে যুক্ত ফার্মগেট, পান্থপথ, পল্টন ও হাতিরঝিলের রাস্তায় যানজট একটু বেশি।

কঠোর বিধিনিষেধের শেষের দিকে এসে রাজধানীতে যানবাহনের চলাচল অনেক বেড়ে গেছে

https://www.facebook.com/bm24tvofficialpage